১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ |

ইসলাম বা আহলে সুন্নাতের নামের ভ্রষ্ট ও কোন বাতিলের অংগ সংগঠন সমূহ থেকে মুক্ত থাকুন এবং সঠিক ধারায় এগিয়ে চলুন

ইসলাম বা আহলে সুন্নাতের জন্য ব্যক্তিগত ভাবে বা সম্মিলিত ভাবে সব মুসলিমের কাজ করার অধিকার ও দায়িত্ব আছে, তবে সেটা অবশ্যই সঠিক পথে হতে হবে; ভূল পথে হলে দ্বীন মিল্লাতের ক্ষতি হবে।

ইসলামের নামে যেমন আসল ইসলামের বিপরীতে অনেক বাতিল ধারা আছে; তেমনি আহলে সুন্নাতের নামেও আসল ধারার বিপরীতে অনেক বিকৃত, ভ্রষ্ট ও বাতিল ধারা আছে।

আহলে সুন্নাতের নামে মূর্খতা প্রতারণা ও বিভিন্ন বাতিলের দালালি বাহিরের বাতিলদের চেয়েও অনেক বেশি ধ্বংসাত্মতক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আহলে সুন্নাতের নামে যে সে যা তা চালিয়ে দিচ্ছে, যার ফলে আহলে সুন্নাতের প্রকৃত সংজ্ঞা ই প্রায় বিলুপ্ত হয়ে পড়েছে।

আত্তারি সাহেবের দাওয়াতে ইসলামী যখন বের হলো আমরা সেটা সঠিক নয় বলে প্রমাণ সহ তুলে ধরেছিলাম, আজ সেটা হকের বিপরীতে অনেক মারাত্মক ক্ষতির কারণ বিষফোঁড়া হয়ে গেছে। ঈমান দ্বীনের প্রাণ আহলে বায়েত ও সাহাবায়ে কেরামের খুনি এবং ইসলামের খেলাফত উৎখাত করে উমাইয়া গোত্রবাদি মুলুকিয়ত কায়েম করে কেয়ামত পর্যন্ত দ্বীন- মিল্লাত- মানবতার অপূরণীয় ধ্বংসকারির ওরশ পালন করে আহলে সুন্নাতের নামে সম্পূর্ণ বিপরীত ধারা চালিয়ে দিয়েছে। এ যেনো কারবালার হত্যাযজ্ঞের উৎসবের ওরশ, এ যেন কলেমার চেতনা ও দ্বীনের কাঠামো খেলাফত উৎখাত করে আইয়ামে জাহেলিয়াতের গোত্রবাদি মুলুকিয়ত কায়েমের উৎসবের ওরশ! আহলে সুন্নাতের নামে আমীরে আহলে সুন্নাত নাম ধারণ করে আহলে সুন্নাতকে তিনি জবাই করেছেন। এরা বলছে মোয়াবিয়ার ওরশ না করলে সে শিয়া, নাউজুবিল্লাহ। এভাবে এরা আহলে সুন্নাতের সংজ্ঞা পাল্টিয়ে দিয়ে একই সাথে বাতিল খারেজি ও বাতিল শিয়াবাদ উভয় বাতিলকে কায়েম রাখছে।

এভাবে সেনা ফ্রন্ট চেয়ারম্যান সাহেব আহলে বায়েতের বিরুদ্ধে বেয়াদবি ও মাওলা আলী রাদিআল্লাহু আনহুর চরম অবমাননা ও খারেজি মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মুলুকিয়ত এজিদের পক্ষে প্রকাশ্যেই কাজ করে আহলে সুন্নাতের আকিদা আদর্শ ধ্বংস করে যাচ্ছেন। সালাফি- ওয়াবি- শিয়া- খারেজি- মওদুদিরা ষোলশহরের জামেয়ার কিছু শিক্ষক গাওসিয়া আর সেনা ফ্রন্টের মধ্যে তাদের চেয়েও জঘন্য বদ আকিদা দেখে ক্রুর হাঁসি অট্টহাসিতে ফেটে পড়ছে। সমগ্র উম্মতের মাওলার বিরুদ্ধে অবমাননাকে তরিকতের অজিফা হিসেবে চালিয়ে দিয়ে খারেজি মালাউনদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে ঈমান দ্বীনের মূলে কুঠারাঘাত করা হচ্ছে। সুন্নীয়তের একটা অংশের পতনে সব বাতিল উৎসব করছে!

এভাবে আরো অনেক আহলে সুন্নাতের নামে ছোট বড় সমিতি কমিটি করে আহলে সুন্নাতের আকিদা আদর্শের বিপরীতে যা তা চালিয়ে দিয়ে অনেক ক্ষতি করে যাচ্ছে। আহলে সুন্নাতের নেতা সভাপতি দাবি করে বস্তুবাদি মতবাদের নেতাও দাবি করে। আহলে সুন্নাত যেন চৌধুরী ভূঁইয়ার মত উপাধি যে হকের বিপরীত কুফরি নাস্তিকি মতবাদ করেও এ দাবি করা যায়! নাউজুবিল্লাহ।

সর্ষিনা সহ কিছু ধারা কারবালার মূল খুনি কাফের এজিদকে নির্দোষ সাজিয়ে হকের দুশমন জাকির নায়েকের প্রতিধ্বনি করে আহলে সুন্নাতকে জবাই করছেন। শাহাদাতে কারবালার লক্ষ্য ও আমানতের বিপরীতে কোনো ইসলাম আহলে সুন্নাত নেই এটা না বুঝলে কলেমা কোরআন দ্বীন খেলাফত অস্বীকার হয়ে যাবে। আল্লামা রেজাখান সাহেব তো কারবালার মূল খুনি কাফের এজিদকে খুনি বা দোষী বলা হারাম ফতোয়াই দিয়ে দিয়েছেন যা খুব দুর্ভাগ্যজনক। কারবালার মূল খুনি ও ইমামে আকবার ইমাম হুসাইন রাদিআল্লাহু আনহুর পবিত্র নুরানী দেহ মোবারকের সাথে পর্যন্ত সে চরম অসহ্য বেয়াদবি করেছে, দুই বছর পর সে ঈমানী রাজধানী মদীনাতুল মুনাওয়ারা এবং দরবারে আজম পবিত্র রওজা মোবারকে হামলা চালিয়েছে এবং মক্কাতুল মোকাররমা কাবা শরীফে হামলা চালিয়েছিলো। আল্লাহতাআলার দুশমন কাফের এজিদের দালালি করে আর যাই হোক ঈমান ইসলাম আহলে সুন্নাত হতে পারে না।

অনেকের নিয়ত ভালো হলেও আকিদা- আদর্শ- আত্মিক- রাজনৈতিক সব দিকে আহলে সুন্নাতের পূর্ণাঙ্গতা বুঝতে অক্ষমতা ও বিভিন্ন বাতিলের চক্রান্ত বুঝতে অক্ষমতার কারণে এ নামে সংগঠন করে কোনো না কোনো বাতিলের অংগ করে ক্ষতি করছেন। হক ও বাতিলের ধারা একাকার করে দল বড় করে কোনো স্বার্থ হাসিল করা গেলেও হকের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা ও হকের ধারার মৃত্যু ঘটানো হয়।

প্রকৃতই সত্য হলে ও সব বাতিল থেকে ঈমান রক্ষার অসিলা হলে এবং নিয়ত ভালো হলে সেটা দ্বীনের ও সব সুন্নীর সম্পদ এবং সেটা স্বাগত।

দুনিয়ার কোথাও হকের পূর্ণাঙ্গ ধারার ধারক ও সব বাতিলের বিরুদ্ধে আপোষহীন পবিত্র কোনো সংগঠন যদি মাত্র তিন জনেরও থাকে সেটাও এ আঁধার ও সংকটের সময় আমাদের সমগ্র মিল্লাতের জন্য কলেমার দ্বীপশিখা, সেটি আমাদের সবার আমরা সবাই সেটার সাথে একাত্ম থাকবো।

কিন্তু ভ্রান্ত সংগঠনের চেয়ে কোনো সংগঠন না থাকাই ভালো। দ্বীনের ভালো করতে না পারলেও ক্ষতি ও বিভেদ বিভ্রান্তি করা থেকে বিরত থাকা উচিত। ক্ষত বিক্ষত আহলে সুন্নাতের নামে ভ্রষ্টতা জালিয়াতি ভেজাল বিকৃতি বাতিলের দালালি বিভ্রান্তি ও নির্মম ব্যবসার অভাব নেই। ইন্ডিয়ায় আহলে সুন্নাতের নামে শ্রী মোদীর অংগ সংগঠনও আছে।

ভ্রান্ত সংগঠন গুলো সুন্নীয়তের ধ্বংসের কারন। সুন্নীয়তের নামে মূর্খতা ও বাতিলের দালালির চেয়ে নিকৃষ্ট ধ্বংসাত্মক বিষয় সুন্নীয়তের জন্য আর কিছু নেই।

বর্তমান সময়ে বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ছাড়া আমরা আহলে সুন্নাতের নির্ভেজাল ও পূর্ণাঙ্গ ধারার কোনো দিশা সংগঠন ও কর্মসূচি দৃশ্যমান নয়। বিপরীতে চলমান অন্যান্যদের অনেকের সুন্নীয়তের সংজ্ঞা সুন্নীয়ত নয়, কারণ সব বাতিল থেকে মুক্ত নয় এবং আকিদা- আদর্শ- আত্মিক- রাজনৈতিক সব দিকে ভাই বোন সবাইকে নিয়ে মহান মকবুল সাহাবায়ে কেরাম রাদিআল্লাহু আনহুমের আদর্শে পূর্ণাঙ্গ ধারা নয়।

হৃদয়ের দিক থেকে আন্তরিক সুন্নী সঠিক ব্যক্তি কোটি কোটি থাকতে আছেন যদিও বুঝের দিক থেকে খুব কমই আছেন , কিন্তু সাংগঠনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে সব বাতিল থেকে উদ্ধারের কর্মসূচি সহ আকিদা- আদর্শ- আত্মিক- রাজনৈতিক সব দিকে আহলে সুন্নাতের একমাত্র দিশা সংগঠন ও কর্মসূচি একমাত্র বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন (World sunni movement)। আহলে সুন্নাতের রাজনৈতিক দিকদর্শন খেলাফতে ইনসানিয়াতের একমাত্র দিশা ও কর্মসূচি বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব (World humanity revolution)।

নিকট ইতিহাসে আহলে সুন্নাতের নামে পবিত্র কলেমার চেতনা ও মহান শাহাদাতে কারবালার নির্দেশণার বিপরীতে মুলুকিয়তপন্থী মসলকের ধারায় মা আনা আলাইহি ওয়া আসহাবীর বিপরীতে অরাজনৈতিক আহলে সুন্নাত আবিষ্কার করে আহলে সুন্নাতের চিরকবর রচনা করা হয়েছে।

অরাজনৈতিক আহলে সুন্নাত- আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত নয় বরং বুঝে বা না বুঝে সব বাতিলের মুলুকিয়ত কায়েম রাখার প্রক্রিয়া। অরাজনৈতিক হওয়া বা কোনো বাতিলের অপরাজনীতির অংগ অনুসারী হওয়া উভয়ই অস্তিত্ব বিণিশী।

আহলে সুন্নাতের নিজস্ব রাজনৈতিক রূপরখা আছে; যা আকিদা দ্বীনের অবিচ্ছেদ্য বিষয় যা ছাড়া দ্বীন ও দুনিয়ায় সকল বাতিলের মুলুকিয়ত কায়েম হয়ে হকের ধারা রুদ্ধ হয়ে যায়। ওয়াবি- সালাফি- শিয়া- খারেজি- মওদুদিদের রাজনীতি আর ইসলামের মূল ধারা আহলে সুন্নাতের রাজনৈতিক দিশা এক নয় সম্পূর্ণ ভিন্ন। ইসলামের নামধারি এসব বাতিল ফেরকা ও অন্যান্য ধর্মের নামে চলমান হিংস্র রাজনীতি ও চলমান বস্তুবাদি জাতীয়তাবাদের বিষাক্ত রাজনীতি ইসলামের আসল ধারা ও মানবতার বিপরীত যার সমর্থন করে আহলে সুন্নাতের দাবি বিপরীত হয়ে যায়।

যার যার স্বার্থে তার তার ধর্ম ও মতবাদের রাজনীতি। আহলে সুন্নাতের রাজনীতি একক ধর্ম বা একক জাতীয়তাবাদ বা একক গোত্রের একক গোষ্ঠীবাদি রাষ্ট্রের রাজনীতি নয়, প্রাণাধিক প্রিয়নবীর দেয়া সমগ্র মানবমন্ডলীর ইজ্জত নিরাপত্তা অধিকার স্বাধীনতা মালিকানার ভিত্তিতে সর্বজনীন মানবতার রাষ্ট্রের লক্ষ্যে সব মানুষের কল্যাণের রাজনীতি মানবতার রাজনীতি।

বর্তমান বিশ্বের মূল বাতিল যা থেকে অন্য সকল বাতিলের উদ্ভব সে বস্তুবাদি মতবাদের অনুসারী হয়ে ঈমানী অস্তিত্ব অসম্ভব, অথচ আহলে সুন্নাতের নামে প্রায় সবাই বস্তুবাদি মতবাদ ও মুলুকিয়তের অনুসারী।

আহলে সুন্নাত ইসলামের আসল ও পূর্ণাঙ্গ রূপ আলাদা কোনো ফেরকা নয় কিন্তু বর্তমানে যে আহলে সুন্নাত বা সুন্নীয়ত প্রায় মাদ্রাসা খানকা থেকে চালানো হচ্ছে তা বস্তুবাদি আহলে সুন্নাত, মুলুকিয়তপন্থী আহলে সুন্নাত, অরাজনৈতিক আহলে সুন্নাত, লিংগবাদি আহলে সুন্নাত তথা ইসলামের মূল ধারা ও শাহাদাতে কারবালার আহলে সুন্নাত নয় বরং সম্পূর্ণ বিপরীত।

শুধুমাত্র ওয়াবি- শিয়া- মওদুদি- সালাফির দু একটা বাতিল আকিদার বিরোধী হলেই কেউ সুন্নী বা তা আহলে সুন্নাত হয় না, সব বাতিল থেকে মুক্ত থাকা ও আকিদা- আদর্শ- আত্মিক- রাজনৈতিক মানবিক পূর্ণাঙ্গ ধারা ছাড়া ইসলাম বা আহলে সুন্নাত হয় না ধ্বংসাত্মক প্রতারণা নফসানিয়াত ধোকা জাহেলিয়াত হয় এবং তা ই চলছে।

ইসলাম বা আহলে সুন্নাত রক্ষা ও কায়েমের পূর্বশর্ত ইসলাম তথা আহলে সুন্নাতের পূর্ণাঙ্গতায় বিশ্বাস এবং সব বাতিলের বিরুদ্ধে আপোষহীন আদর্শিক সংগ্রাম। মুলুকিয়তের অনুসারী হয়ে ওয়াবি সালাফি শিয়া খারেজিদের বিরোধীতা হয় না তাদের রক্ষা হয় অংগ হয়।

আহলে সুন্নাতের পতনের মূল কারণ পূর্ণাঙ্গ সংজ্ঞা ভুলে ভুল পথে ভুল মসলকে চলা। আহলে বায়েতের খুনি ও মহান মকবুল সাহাবাদের খুনি এবং হকের খেলাফত উৎখাত করে কলেমা কোরআন দ্বীনের বিপরীত গোত্রবাদি মুলুকিয়ত মুলুকিয়ত কায়েমকারিকে আহলে সুন্নাতের আদর্শ বানিয়ে এবং তার খুন জুলুম মুলুকিয়ত অপরাধের প্রতিবাদকে শিয়াবাদ বলে অপবাদ দিয়ে খারেজি ধারায় আহলে সুন্নাত হয় না, এ পবিত্র নামের আড়ালে খারেজিয়াত কায়েম হয় এবং আহলে সুন্নাতের আসল ধারা বিলুপ্ত হয়।

ভুল মসলকে হাজার সংগঠন হাজার বছর চলেও আহলে সুন্নাত হবে না, তবে এ নামে অসৎ স্বার্থ ও বাতিলের লাভ এবং আহলে সুন্নাতের ধ্বংস হবে এবং হচ্ছে। তবে দীর্ঘ ইতিহাসের সব বিপর্যয় ও আঁধারের মধ্যেও আশার কথা এই যে, ইসলামের মূল ধারা আহলে সুন্নাতের আধুনিক সচেতন শিক্ষিত স্কলার একটা জেনারেশন গড়ে উঠছে; যারা সব কিছু বিশ্লেষণ করবে এবং ইসলাম বা আহলে সুন্নাতের নামে কোন বিকৃতি ভ্রষ্টতা দালালি মেনে নিবে না, বরং আদর্শিক একাডেমিক প্রতিরোধ করে মূল ধারা জারি রাখবে।

খেলাফত ও মুলুকিয়তের বৈপরীত্য ও সংঘাতের ইতিহাস সম্পর্কে যাদের বিন্দুমাত্র ধারণাও নেই এবং যারা বস্তুবাদ থেকে মুক্ত নয় বরং বস্তুবাদের অংশ এবং তারা আহলে সুন্নাতের পক্ষে সংগঠন করা ডাক্তার না হয়ে রোগীর চিকিৎসা করার মতই মৃত্যু সমতুল্য।

তাওহীদ রেসালাতের ভিত্তিতে কলেমা- কোরআন- সুন্নাহ- দ্বীন- খেলাফতের ধারায় আহলে সুন্নাতের কেবলা পবিত্র আহলে বায়েত, আহলে সুন্নাতের আদর্শ মহামান্য খোলাফায়ে রাশেদীন ও মহান মকবুল সাহাবায়ে কেরামের জামায়াত এবং তাঁদের ধারায় হকের ইমামবৃন্দ ও আওলিয়া কেরামের অনুসৃত দ্বীনের পূর্ণাংগ আদর্শ। অথচ কলেমা- কোরআন- সুন্নাহ- দ্বীন- খেলাফত ও পবিত্র আহলে বায়েত এবং মহামান্য খোলাফায়ে রাশেদীন ও মহান মকবুল সাহাবায়ে কেরামের জামায়াতের দুশমনদের বিপরীত পক্ষকে আহলে সুন্নাতের কেবলা হিসেবে চালিয়ে দেয়ার চক্রান্ত বাস্তবায়িত করা হয়েছে।

মোয়াবিয়া মুলুকিয়ত অরাজনৈতিক গন্ডীর ভ্রষ্ট মসলকের ধ্বংসাত্মক গন্ডীর আঁধার বলয় থেকে সাহসী নেতৃত্বে সাহসের সাথে বেরিয়ে আসতে না পারলে আহলে সুন্নাতের পতনের ধারা যেমন ঠেকানো যাবে না তেমনি আহলে সুন্নাতের আসল ধারা কখনোই দাঁড়াবেনা কখনোই বিজয়ী হবে না।

মূর্খতা ও বাতিলের দালালিকে আহলে সুন্নাতের নামে প্রশ্রয় দেয়া ধ্বংসাত্মক। আহলে সুন্নাত মশকারি জোক নয়, বদর ওহোদ সিফফিন কারবালার পবিত্র রক্তভেঝা ঈমানী অস্তিত্বের প্রশ্ন।

==================
সৈয়দ আল্লামা ইমাম হায়াত এর পক্ষে-
আল্লামা আরেফ সারতাজ, আল্লামা অধ্যাপক ডঃ কাওসার আমীন,
আল্লামা রায়হান রাহবার, আল্লামা জাকির আহসান, আল্লামা শেখ নঈমুদ্দিন, আল্লামা হাফেজ ইলিয়াস শাহ, আল্লামা গোলাম সাদেক, আল্লামা রেজাউল মোস্তাফা কাওসার, আল্লামা মুফতি সিবগাতুল্লাহ এরশাদ।

#World sunni movement
#বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন

মোরশেদ/মানব বার্তা

(Visited ১২৮ times, ১ visits today)

আরও পড়ুন

বঙ্গবন্ধু হত্যার মাধ্যমে এ জাতি কলঙ্কিত হয়েছে বিশ্ব দরবারে
বেসরকারি চাকরিজীবীদের বোবা কান্না
মহান জাতীয় শহীদ দিবস শাহাদাতে কারবালা দিবসে ফেনীতে র‍্যালী
মুসলিম মিল্লাতের মহান জাতীয় শহীদ দিবস উপলক্ষে ওয়ার্ল্ড সুন্নী মুভমেন্টের সমাবেশ
মহররম ঈমানী শোক ও ঈমানী শপথের মাস, আনন্দ উদযাপনের নয় – আল্লামা ইমাম হায়াত
করোনায় সারাদেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৯৯৮
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
পেপসির সঙ্গে বিষ খাইয়ে খুন, যুবকের যাবজ্জীবন