২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ |

চট্টগ্রামে করোনার এক কিটে হচ্ছে দুই নমুনা পরীক্ষা

১০ হাজার টাকা খরচ করে ঢাকায় লোক পাঠিয়ে চট্টগ্রামের একেকটি ল্যাব এক থেকে দেড় হাজার করোনাভাইরাস পরীক্ষার কিট পায়। দিনের নমুনা পরীক্ষা ২৫০টির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে সেটা দিয়ে চলে বড়জোর পাঁচ-ছয়দিন। এরপর আবার ঢাকায় লোক পাঠাতে হয়। শুরু থেকে এভাবে কিট নিয়ে টানাটানির মধ্য দিয়েই চলছে চট্টগ্রামে করোনা পরীক্ষার সবগুলো ল্যাব। ফলে ইচ্ছে থাকলেও নমুনা পরীক্ষা বাড়ানো সম্ভব হয় না ল্যাবগুলোর।

করোনা পরীক্ষায় কিট সংকটের সমাধান করতে এবার নতুন পথে হাঁটছে চট্টগ্রাম। এতদিন ধরে একটি কিট দিয়ে একটি নমুনা পরীক্ষা করা হলেও এবার একটি কিট ব্যবহার করে দুটি নমুনা পরীক্ষা করবে চট্টগ্রামের ল্যাবগুলো।

সোমবার (২২ জুন) থেকে নতুন নিয়মে একটি কিট দিয়ে দুটি নমুনা পরীক্ষা শুরু করেছে চট্টগ্রামের ল্যাবগুলো। তবে পুরো দেশে এই পদ্ধতিতে করোনা টেস্ট চট্টগ্রামেই প্রথম নয়। এর আগে ঢাকার সাভারসহ কয়েকটি ল্যাবে এভাবে একটি কিট দিয়ে দুটি করে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

এই পদ্ধতিতে নমুনা পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন ল্যাব সংশ্লিষ্টরা। নতুন এই নিয়মে সোমবার প্রথমবারের মত টেস্ট শুরু করে চট্টগ্রামের তিনটি ল্যাব— বিআইটিআইডি, সিভাসু ও চট্টগ্রাম মেডিকেল।

ঢাকা থেকে দেওয়া নির্দেশনা মোতাবেক এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে সিভাসু ল্যাবের প্রধান ড. জুনায়েদ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমরা এতদিন একটি কিট ব্যবহার করে একটা নমুনা পরীক্ষা করতাম। আজ (সোমবার) থেকে আমরা এক কিটে দুটি নমুনা পরীক্ষা করছি। প্রথম দিনে আমরা ৭৬টি কিটে ১৫২টি নমুনা পরীক্ষা করলাম।’

তিনি বলেন, ‘এই পদ্ধতিতে পরীক্ষার ফলাফল ঠিকমতোই পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে আমাদের কিটের যে সমস্যা হচ্ছিল তা কিছুটা হলেও সমাধান হলো। কিট নিয়ে দৌড়াদৌড়ি কমবে। টেস্টিং ফ্যাসিলিটিও কিছুটা বাড়বে আরও। আমার কাছে এই সিদ্ধান্তটাকে বেশ ইতিবাচকই মনে হয়েছে।’

ফৌজদারহাটের বিশেষায়িত হাসপাতাল বিআইটিআইডি ল্যাবের প্রধান ডা. শাকিল আহমেদ বলেন, ‘আমাদের পাঁচটি ল্যাবকে আলাদা আলাদা করে ঢাকা থেকে গিয়ে কিট আনতে হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে ১০ হাজার টাকা খরচ করে একজনকে ঢাকায় পাঠানোর পর যে কিট পাওয়া গেল, তাতে ২৫০ করে আমরা ৫-৬ দিন পরীক্ষা করতে পারছি। এখন এর চেয়ে বেশি গতিতে টেস্ট করলে তিন দিন পরে আবার কাউকে ঢাকা পাঠাতে হবে। এখানে কিছু সমস্যা আছে। যদি আমরা এসব বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে পারতাম, তাহলেও কিছুটা চেঞ্জ দেখা যেতো। এখন ৪-৫ দিনের রি-এজেন্ট আনার জন্য ঢাকায় লোক পাঠাতে হয়। এটাও রিসোর্সের এক ধরনের অপচয়।’

(Visited ৩৭ times, ১ visits today)

আরও পড়ুন

হযরত খাজাবাবা (রঃ) ও জামে আওলিয়া কেরামের পথ পূণরুদ্ধার সম্মেলন অনুষ্ঠিত
বীর মুক্তিযুদ্ধা আব্দুল আলিম এর সহধর্মীনি নুরজাহান বেগম আর নেই
ফজলে রাব্বীর আসনে নৌকার হাল ধরতে চান যারা
মহান জাতীয় শহীদ দিবস শাহাদাতে কারবালা দিবসে ফেনীতে র‍্যালী
এমপির বিরুদ্ধে উপজেলা চেয়ারম্যানকে কিল-ঘুষির অভিযোগ
বঙ্গবন্ধুর সমাধীস্থলে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের শ্রদ্ধাঞ্জলী
অসহায় মানুষের মাঝে মাংস বিতরণ করল ‘জীবন আলো’
নোয়াখালীতে প্রবাসীকে মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ