২৮শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

জলঢাকায় নদীর ভাঙ্গনে দিশেহারা গ্রামের মানুষ

বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ধুম নদীতে। ইতিমধ্যে বসতভিটা, গাছপালা ও ফসলী জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় আতংকিত হয়ে পড়েছে ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষজন।

জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের পূর্ব গোলমুন্ডা ঘোড়ামারা এলাকায় ধুম নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গত কয়েকদিনে ওই গ্রামের ১২টি পরিবারের ঘরবাড়ী, বাঁশঝাড়, গাছপালা ও ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। অনেকে ঘরবাড়ী সরিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। প্রতিনিয়তই ভাঙ্গনের কবলে পড়ছে নতুন নতুন এলাকা। চরম হুমকির মুখে পড়েছে পূর্ব গোলমুন্ডা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি মসজিদ। যে কোন সময় নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে এই দুটি স্থাপনা। এদিকে ভাঙ্গন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ না থাকায় র্নিঘুম রাত কাটাচ্ছেন ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষজন।

ঘোড়ামারা গ্রামের সফিকুল ইসলাম,আলতাফ হোসেন, আলহাজ্ব তৈয়ব আলী,আফজাল হোসেন, মনোয়ার, বাবুল, মানিক, রেজাউল সহ অনেকের অভিযোগ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে অবগত করার পরেও ভাঙ্গন রোধে কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় প্রতিদিনেই বসতভিটা ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে।

গোলমুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হোসেন জানান,ঘোড়ামারা গ্রামের ধুম নদীর ভাঙ্গনে ইতিমধ্যে অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবগত করা হলেও তারা কোন পদক্ষেপ নেননি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড নীলফামারীর ডালিয়া ডিভিশনের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ফারুক হোসেন বলেন, ঘোড়ামারা গ্রামে নদী ভাঙ্গনের বিষয়টি আমার জানান নেই। আমি লোক পাঠিয়ে বিষয়টি দেখছি।

(Visited 1 times, 1 visits today)

আরও পড়ুন

খাবার নিয়ে বন্যার্তদের পাশে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ
সাংবাদিক নাসিমা সোমার ছেলে সৌমিক ফের করোনায় আক্রান্ত
সিলেটে বন্যায় মারা গেছে ২২ জন
কেউ ভাবেনি কখনো নিজের টাকায় পদ্মা সেতু হবে
৬ ঘণ্টা পর সিলেটে পরীক্ষামূলক আংশিক বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু
নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছে বানভাসি মানুষেরা
ময়মনসিংহে বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যু
কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে জয়ী হলেন যারা