২৫শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

নাম মাত্র মূল্যে অ্যাম্বুলেন্স ও ফ্রিজিং ভ্যান পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

এবার নাম মাত্র মূল্যে অ্যাম্বুলেন্স ও ফ্রিজিং ভ্যান সুবিধা পেতে যাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

রাজধানী ও তার আশপাশের ২০ কিলোমিটারের মধ্যে ৫০০ টাকায় অ্যাম্বুলেন্স ও ফ্রিজিং ভ্যান সেবা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। পরবর্তী প্রতি কিলোমিটার প্রতি তিন টাকা হারে ভাড়া প্রযোজ্য হবে।

এমন নিয়ম রেখে ‘ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার নীতিমালা, ২০২০’ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। অ্যাম্বুলেন্স ও লাশবাহী ফ্রিজিং ভ্যান কীভাবে, কত টাকা ভাড়ায় এবং কোন প্রক্রিয়ায় ভাড়া হবে তা নীতিমালায় বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে যে, সরকারি যানবাহন অধিদফতরের বিদ্যমান লাশবাহী ফ্রিজিং ভ্যান ও অসুস্থ ব্যক্তি পরিবহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের ক্ষেত্রে এতদিন কোনো সুস্পষ্ট নীতিমালা না থাকায় যানবাহনগুলোর যথাযথ ব্যবহারের জন্য এখন একটি নীতিমালার প্রয়োজন রয়েছে। এ বিবেচনায় এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

এ নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যবহারকারী হিসেবে যোগ্য ব্যক্তির স্ত্রী/স্বামী, বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি, ছেলে-মেয়ে, অপ্রাপ্ত বয়স্ক ভাই, অবিবাহিত/তালাকপ্রাপ্ত/বিধবা বোন, পিতামহ-পিতামহী এবং ছেলের বিধবা স্ত্রী ও শিশুসন্তান ব্যবহার করতে পারবেন।

ফ্রিজিং ভ্যান ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের সব কর্মচারী ব্যবহারকারী হিসেবে গণ্য হবেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা এ সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন।

অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের ক্ষেত্রে নবম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মচারীরা ব্যবহারকারী হিসেবে গণ্য হবেন। ব্যবহারকারীর পরিবারের সদস্যরা এ সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন।

ফ্রিজিং ভ্যান কিংবা অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের প্রয়োজন হলে ব্যবহারকারী অথবা তার পরিবারের যেকোনো সদস্য নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে পারবেন। সার্বক্ষণিক সেবা দিতে পরিবহন কমিশনার হট লাইন নম্বর চালু এবং অনলাইনে আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থা করবেন।

আবেদনকারীর সংখ্যা একই সময় একাধিক হলে অগ্রাধিকার বিষয়ে পরিবহন কমিশনারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি যানবাহন অধিদফতরের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশের যেকোনো অঞ্চলে ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করা যাবে। মরদেহ বা অসুস্থ ব্যক্তি পরিবহন ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করা যাবে না। অনুমোদিত চলাচলের ক্ষেত্রে যানবাহনের কোনো ক্ষতি হলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবেন।

ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্স সরকারি যানবাহন অধিদফতর থেকে বুঝে নেয়ার পর সরকারি যানবাহন অধিদফতরে ফেরত আসা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় জ্বালানি ব্যয় আবেদনকারীকে বহন করতে হবে। যাতায়াত পথে ফেরি পারাপার বা সেতু ব্যবহারের প্রয়োজনে ফেরি ও সেতুর টোল ব্যবহারকারী পরিশোধ করবেন।

ব্যবহারের পর গাড়িতে সংযোজিত ভেহিকেল ট্র্যাকারের অতিক্রান্ত দূরত্ব অনুযায়ী প্রকৃত দূরত্ব হিসেবে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোডে তিন দিনের মধ্যে বিল পরিশোধ করতে হবে।

(Visited 1 times, 1 visits today)

আরও পড়ুন

মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর সাধারণের জন্য উন্মুক্ত হবে পদ্মা সেতু
পদ্মা সেতু সাঁতরে মঞ্চে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলল কিশোরী
মাদারীপুর শিবচরের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী
টোল দিয়ে পদ্মা সেতু পার হলেন প্রধানমন্ত্রী
‘পদ্মা সেতু’দেশপ্রেমিক জনগণের আস্থা ও সমর্থনের ফলেই আজকে উন্নয়ন : প্রধানমন্ত্রী
রাত পোহালেই স্বপ্নের মাহেন্দ্রক্ষণ
বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭০, ২৪ ঘণ্টায় ২৮
২০৪১ দেশে নারীর সংখ্যা পুরুষদের ছাড়িয়ে যাবে