২৬শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

দল ক্ষমতায় থেকেও কেন অসহায় যুবায়েররা?

বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রান্তে অনেক নেতাদের দেখা যায় নিজের সার্থ নিয়ে সবসময় মেতে থাকে। নিজের প্রয়োজনে কর্মীদের ব্যবহার করে কিন্তু কর্মীর বিপদে পাশে থাকে না। কিন্তু আমরা অনেক নেতা পেয়েছি যারা শুধুমাত্র নিজের প্রয়োজনে নয়, দলের প্রয়োজনে কর্মীদের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। তাদের মধ্যে একজন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ ভাই। যিনি কর্মীর বিপদে ছুটে গিয়ে আজ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার। বড় আশ্চর্য হই যখন কোন ওয়ারেন্ট ছাড়া প্রতিবাদ করার অপরাদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার পরেও একজন দলীয় নেতাকে অসহায়ের মত গ্রেফতার হতে হলো। যেখানে ভিন্ন দলের লোকজনও আরও স্বাধীনভাবে নিজেদের আন্দোলন সংগ্রাম করে যাচ্ছে , প্রশাসনের লোকদের উপর হামলা করছে কিন্তু তারা নিরাপত্তা দিয়ে তাদের প্রোগ্রাম সফল করার জন্য সহযোগিতাও করছে।

ছাত্রদল, যুবদলের পোস্টার দেখতাম ওমুক ভাইয়ের মুক্তি চাই। বিএনপি জামাতের নেতাদের বলতে শুনেছি ওমুকের মুক্তি না দিলে হরতাল অবরোধ। হয়তো তারা বিরোধী দলের তাই জেল খাটছে। আওয়ামীলীগ বিরোধী দলে থাকতে হয়তো এই সব আওয়ামীলীগও করেছে।

আচ্ছা এখন আওয়ামীলীগ ক্ষমতায়। এখন ছাত্রলীগের নেতারা যদি ষড়যন্ত্রের শিকার হয় তাহলে কি পোস্টার করা যায়? আওয়ামীলীগের নেতারা কি হরতাল অবরোধ দিতে পারবে ছাত্রলীগ নেতার মুক্তি চেয়ে?

ছাত্রলীগের রাজনীতি করতে করতে হেরে যাওয়া আমাকে আনিস ভাই, তপু ভাইয়ের পরে যদি কেউ নেতা বানিয়ে থাকে সেটা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ ভাই। আজকের আমি একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে যে চেয়ারটা পাই সেটা উনার দেওয়া। তবে প্রশাসনের কাছে আমরা অসহায়।

আজ যদি এমন হতো বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সবাই এক হয়ে এই ষড়যন্ত্রের সঠিক তদন্তের দাবি করতো। আপাকে যদি কেউ বোঝাতে পারতো নিরপেক্ষ তদন্ত যেন হয় এমন পদক্ষেপ নিতে। যদি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতিসহ সকল নেতা কর্মীগণ পদত্যাগ করার সাহস রাখতো। তাহলে কিছুটা পরিবর্তন হলেও হতে পারতো।

সাইদি বিএনপির সন্ত্রাসী, সেটা মেনে নিলাম। তবে জুবায়ের এর দোষ ওয়ারেন্ট ছাড়া আসামির বাসায় অভিযান কেন হচ্ছে সেটা জানতে চাওয়া। তার জন্য যেটা হলো সরকারি কাজে বাধা। আচ্ছা এমন কি কোন আইন হয়েছে র‍্যাব এর জন্য যে তারা ওয়ারেন্ট ছাড়া যে কোন বাসায় অভিযান চালাতে পারে? যদি এমন কোন আইন না থেকে থাকে তাহলে মামলাটা কি দাঁড়ায় বেআইনি কাজে বাধা। তাহলে অপরাধ টা কার? ছাত্রলীগের জুবায়ের আহমেদ এর নাকি র‍্যাবের?

র‍্যাবের আইন বহির্ভূত কিছু কাজের জন্য এমনিতেই সারা দেশ আজ বিশ্বের সামনে মানবাধিকার অপরাধের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে। সরকার পতনের উল্লেখযোগ্য এজেন্ডা এই র‍্যাব এর উপর নিষেধাজ্ঞা।

মোট কথা ওয়ারেন্ট টা কি জরুরি ছিল না? কাজটা কি বেআইনি ছিলো না? তাহলে মামলা কেন হলো সরকারি কাজে বাধা? বেআইনি কাজে বাধার মামলায় আজ ছাত্রলীগ নেতা আটক।

পান্থ দে,সাবেক সভাপতি রামপুরা থানা ছাত্রলীগ

(Visited 1 times, 1 visits today)

আরও পড়ুন

মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব হোক বাঙালি জাতির অনুপ্রেরণা
একজন মানবিক মানুষের সত্যি গল্প
শপথ নিন সাংবাদিক নিপীড়কদের সাথে কোন আপোষ করবোনা
প্রাকৃতিক দুর্ভিক্ষ নয় রাজনৈতিক দুর্ভিক্ষই বিশ্বব্যাপী জীবন মানবতার মহা সংকট
পরিবার থেকেই ঘটছে শিশু সহিংসতা
রাস্তা সম্প্রসারণে গাছ কাটা, শতবছরের স্বাক্ষী ধ্বংসের অপরাধ
করোনা ভ্যাকসিন পরিস্থিতি
কোভিড ১৯ ও বৈশ্বিক শিক্ষাব্যবস্থা