২৬শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

কে হচ্ছেন বাংলাদেশ দলের নতুন টেস্ট অধিনায়ক

আর তিনদিন পরই বাংলাদেশ দলের প্রথম গ্রুপটি অ্যান্টিগার ফ্লাইট ধরবে। দিন পনেরো পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেখানে নামতে হবে আরেকটি টেস্ট সিরিজে। এরকম সময়ে নানামুখী চাপে অধিনায়কত্বটা ছেড়ে দিলেন মুমিনুল হক। খুব দ্রুতই তাই আরেকজনকে বাছতে হবে বিসিবিকে। বৃহস্পতিবার বোর্ড সভায় সেই সিদ্ধান্তের আগে আলোচনায় তিন নাম।

দলকে কে নেতৃত্ব দেবেন তা জানা যাবে বৃহস্পতিবার বিসিবির বোর্ড সভা শেষে। এমনটিই জানিয়েছেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান তানভীর আহমেদ টিটু। সংবাদমাধ্যমকে টিটু বলেন, বৃহস্পতিবার ক্রিকেট বোর্ডের সভা আছে, সেই সভায় বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন সবার সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তার আগে বলা মুশকিল কে হচ্ছেন টেস্ট দলের অধিনায়ক।

এক প্রশ্নের জবাবে সংবাদমাধ্যমকে বিসিবির এই পরিচালক বলেন, আমরা তো অবশ্যই চাইব অভিজ্ঞ একজনের কাঁধে টেস্ট দলের নেতৃত্ব দিতে। দেখা যাক, বোর্ড কী সিদ্ধান্ত নেয়। তবে বর্তমানে যে কয়জন আলোচনায় রয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন সাকিব আল হাসান, সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ।

সাকিব আল হাসান:
২০১৯ সালে সাকিবের নিষেধাজ্ঞার কারণেই আকস্মিকভাবে নেতৃত্ব পেয়েছিলেন মুমিনুল। অনেকটা আপদকালীন অধিনায়ক থেকে হয়ে যান স্থায়ী। এরপর তার অধীনে এই আড়াই বছরে বাংলাদেশ খেলেছে ১৭ টেস্ট। সাকিব নিষেধাজ্ঞা থেকে ফেরার পরও তাকে নেতৃত্বে ফেরানোর আলোচনা সেভাবে জোরালো হয়নি।

শোনা যাচ্ছে, সাকিব এবার অধিনায়কত্ব নিতে ইচ্ছুক। সেটা যদি হয়েই তাকে তাহলে অন্তত তিন বছর টানা খেলার গ্যারান্টিও দিতে হবে তাকে। সাকিবের অধিনায়ক ফেরার পথে একমাত্র বাধাও এখানে।

লিটন দাস:
কিপার ব্যাটসম্যান লিটন দাস সাম্প্রতিক সময়ে আছেন দারুণ ছন্দে। টেস্টে গত দুই বছরে দেশের সেরা পারফর্মার তিনি। দলে জায়গা থিতু থাকা এবং লম্বা ক্যারিয়ার বিবেচনায় লিটন অধিনায়কত্বের আলোচনায় আছেন। এর আগে মাহমুদউল্লাহর অনুপস্থিতিতে টি-টোয়েন্টিতে এক ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। এর বাইরে ঘরোয়া পর্যায়েও তার নেতৃত্ব দেওয়ার নজির নেই।

নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা সীমিত থাকলেও সাকিবের মতো ক্ষুরধার ক্রিকেট মস্তিষ্কের জন্য দলে সুনাম আছে লিটনের। মুমিনুলের অধিনায়ক থাকার সময়ও ফিল্ডিং সাজানোর কাজটা করে আসছিলেন তিনিই। সতীর্থদের সঙ্গে তার সম্পর্কও ভীষণ ভালো। তবে লিটনের জন্য নেতিবাচক দিক হচ্ছে তিনি খেলার বাইরে একটু অন্তর্মুখী স্বভাবের। আরেকটি বিষয়ও ভাবাতে পারে বিসিবিকে। লিটন বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের অন্যতম ভরসার নাম। দারুণ ছন্দে থাকা অবস্থায় তার উপর নেতৃত্বের বোঝা চাপিয়ে দেওয়াটা ঠিক হবে কিনা এটিও ভেবে দেখার বিষয়। তিনিও রান খরায় পড়ে গেলে চরম সংকটে পড়তে হবে দলকে।

মেহেদী হাসান মিরাজ:
নেতৃত্বের আলোচনায় আরেক নাম অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। বাকি দুজনের মতো তারও একাদশে জায়গা একদম পাকা। চোট না থাকলে অফ স্পিনের পাশাপাশি লোয়ার অর্ডারে মিরাজের ব্যাটিং দলের জন্য অক্সিজেনের মতো।

মিরাজের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক তার নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা এরমধ্যেই বেশ ঋদ্ধ। যুব বিশ্বকাপ পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ঘরোয়া ক্রিকেটের আসর বিপিএলেও তাকে একাধিকবার অধিনায়কত্ব করতে দেখা গেছে। সে হিসেবে টেস্ট অধিনায়কত্ব পেতে পারেন তিনি।

তবে তারও একটি নেতিবাচক দিক আছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব করার সময় সতীর্থদের সঙ্গে একটু দূরত্ব তৈরি হয়েছে তার। মিরাজের ম্যান ম্যানেজমেন্ট নিয়েও নানা সময়ে কিছু প্রশ্ন উঠেছে। জাতীয় দল সামলাতে তিনি কতটা পারদর্শী হতে পারেন তা দেখার বিষয়।

(Visited 1 times, 1 visits today)

আরও পড়ুন

মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর সাধারণের জন্য উন্মুক্ত হবে পদ্মা সেতু
পদ্মা সেতু সাঁতরে মঞ্চে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলল কিশোরী
মাদারীপুর শিবচরের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী
টোল দিয়ে পদ্মা সেতু পার হলেন প্রধানমন্ত্রী
২ পরিবর্তন নিয়ে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
‘পদ্মা সেতু’দেশপ্রেমিক জনগণের আস্থা ও সমর্থনের ফলেই আজকে উন্নয়ন : প্রধানমন্ত্রী
রাত পোহালেই স্বপ্নের মাহেন্দ্রক্ষণ
পদ্মা সেতু উদ্বোধনে দাওয়াত পেলেন প্রধান বিচারপতিসহ সব বিচারপতি